গবেষণা পদ্ধতি ও কোলাবরেটিভ কাজের ধারা

সবকিছুই এখন দ্রুত চলছে — প্রযুক্তির উন্নয়ন হচ্ছে দ্রুত, সামাজিক পরিবর্তন হচ্ছে অনেকটা চোখের সামনেই, বাড়ছে মানুষ, আর সেইসাথে বাড়ছে ডেটা!

সময়ের প্রয়োজনে গবেষণা এখন হয়ে উঠেছে কোলাবরেটিভ বা সহযোগিতামূলক। এতে সুবিধা অনেক। একসাথে অনেক ফিল্ডের এক্সপার্টরা কাজ করছে যার ফলে প্রোডাক্টিভিটি বেড়েছে। অর্থাৎ অল্প সময়ে দ্রুত প্রোডাক্ট (রিসার্চ পেপার) বের করা সম্ভব হচ্ছে। নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে তার পরবর্তী সময়কালে কোলাবরেটিভ কাজের সুযোগ ও আগ্রহ দুইই বেড়েছে।

তরুণ গবেষকদের কোলাবরেটিভ কাজ শুরু করার প্রাথমিক ধাপ হলো রিসার্চ কীভাবে করে সে সম্পর্কে ধারণা থাকা। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রিসার্চ মেথডলজি নামে একটি বিষয় পড়ানো হয়। গবেষণা পদ্ধতি জানতে এবং তার ব্যবহারিক রূপ দেখতে এই কোর্সের কোন বিকল্প নেই। কাজ করে করে কাজ শেখা যায় তবে সেটি আরো এফিসিয়েন্ট হয় যদি তাত্ত্বিক জ্ঞান অর্জন করা থাকে। যেটি সম্ভব হয় এরকম কোর্স করার মাধ্যমে।

গবেষণা পদ্ধতির স্টেপ বাই স্টেপ বর্ণনা করেছেন রাগিব হাসান তার গবেষণায় হাতেখড়ি বইটিতে। আমি নতুন করে চাকা আবিষ্কার না করে বরং সংক্ষেপে ধাপগুলো তুলে ধরছি। এটি বিশেষ করে যারা আমার সাথে কাজ করতে চান তাদের জন্য অবশ্যপাঠ্য। তাছাড়া নিজেদের গবেষণাতেও এই ধাপগুলো অনুসরণ করা যাবে। হয়তো কাজের ধারা কিছুটা বদলাতে হতে পারে। সেটি নির্ভর করবে কী ধরনের গবেষণা হচ্ছে তার উপর।

Read More